শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ই ফাল্গুন ১৪৩২


কাতার-বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


প্রকাশিত:
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৪

আপডেট:
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৯

ফাইল ছবি

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কাতার এবং বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে ‍নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরা— মধ্যপ্রাচ্যের এই আটটি দেশে সামরিক ঘাঁটি আছে যুক্তরাষ্ট্রের। এসবের মধ্যে কাতারের আল উবেইদ ঘাঁটিটি সবচেয়ে বড়। ২০২৫ সালের জুন মাসে যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়েছিল ইরানের, সে সময় এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান।

বাহরাইনে যে ঘাঁটিটি আছে, সেটি ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট।

তবে এই দুই ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরানো হলেও বাকি ৬টি ঘাঁটি থেকে কোনো সেনা এখনও সরানো শুরু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনের তথ্য অনুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের ৮ ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন মোট ৩০ থেকে ৪০ হাজার মার্কিন সেনা।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়েছেন বৈশ্বিক এ সংস্থার ইরানি প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি। সেই চিঠিতে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই ইরানে আগ্রাসী অভিযান শুরু করে, সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ এবং অবকাঠামোগত স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে দেশটির সেনাবাহিনী।

আমির সাঈদ ইরাভানির এই চিঠির পরেই কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোর সার্বিক নির্বাহী দায়িত্বে আছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। কেন শুধু কাতার এবং বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে সেনা অপসারণ করছে— এ বিষয়ে জানতে সেন্টকোমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল নিউ ইয়র্ক টাইমস, কিন্তু কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।


সম্পর্কিত বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:




রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক : লিটন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top