শনিবার, ২৮শে মার্চ ২০২৬, ১৪ই চৈত্র ১৪৩২


ফ্যামিলি কার্ড : সামাজিক সুরক্ষায় বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩:৩৭

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

১০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কড়াইল টিঅ্যান্ডটি মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন, যা এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। নিম্নআয়ের মানুষের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এই কর্মসূচি শুধু একটি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণই নয়, এটি দেশের কল্যাণ ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার এক বড় পদক্ষেপ।

ফ্যামিলি কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়; বরং এটি একটি ডেটাবেজ-ভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা, নগদ ভাতা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক সুবিধা একীভূতভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলো নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে যেসব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে তারা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা পাবেন অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্যামিলি কার্ডের অনুরূপ সামাজিক সুরক্ষা কার্ড বা ফুড স্ট্যাম্প ব্যবস্থা বহুদিন ধরেই চালু রয়েছে। বাংলাদেশেও ফ্যামিলি কার্ডের ধারণাটি নতুন নয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টিসিবির মাধ্যমে ‘স্মার্ট কার্ড’ চালু করা হয়েছিল যার মাধ্যমে কার্ড গ্রহীতা বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে টিসিবি থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি পণ্য কিনতে পারতেন।

বাংলাদেশে বহু বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে (৯৫টিরও বেশি), যেমন ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, খাদ্য সহায়তা, নগদ ভর্তুকি ইত্যাদি। কিন্তু এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ ছিল। যেমন উপকারভোগীর তালিকায় ভুল ও অসঙ্গতি, একই পরিবার একাধিক কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া, অনিয়ম, লিকেজ ও মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য, স্বচ্ছতার ঘাটতি, এবং নতুন দরিদ্র বা সংকটে পড়া পরিবারকে দ্রুত শনাক্ত করতে না পারা।

নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি একীভূত ডিজিটাল ডেটাবেস তৈরি করে বিদ্যমান এসব সমস্যার সমাধান করতে চায়, যেখানে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ও অন্যান্য সরকারি ডেটার সঙ্গে সমন্বয় করে এই কার্ড উপকারভোগী নির্বাচনকে আরও নির্ভুল করবে। এটি প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার বৃহত্তর ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ—যেখানে প্রযুক্তি নাগরিক সেবা ও শাসনব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

সম্প্রতি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। এই কর্মসূচির মূল দর্শন নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’।

প্রাথমিক কাঠামো অনুযায়ী কার্ডটির বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—নিম্নআয়ের পরিবারের ডিজিটাল পরিচয় নির্ণয়, সরকারি ডেটাবেসের মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ভর্তুকি বা বিশেষ মূল্যছাড়, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে নগদ সহায়তা প্রদান, রিয়েল টাইম মনিটরিং ও স্বচ্ছ বিতরণ এবং একক কার্ডে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা প্রদান।

অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ড হবে একটি একক প্রবেশদ্বার, যার মাধ্যমে পরিবারগুলো সহজে সরকারি সহায়তা পাবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে কীভাবে সেবাগ্রহীতা বাছাই করা হবে তার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

যেখানে বলা হয়েছে, “সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ (PMT) স্কোরিং ব্যবহার করা হবে। পাইলটিং পর্যায়ে ০-১০০০ স্কোরের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় কোয়ান্টাইলের অন্তর্ভুক্ত অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে দারিদ্র্যের এ ধাপ পুনঃনির্ধারণ করা যাবে।

গ্রামীণ এলাকায় বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম এবং পরিবারের মাসিক আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে এই যোগ্যতা নির্ধারিত হবে। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এই কার্ডটি সরাসরি পরিবারের ‘মা’ বা ‘নারী প্রধান’ সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে।”

সরকার ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডধারীরা পাবেন-চাল, গম, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি, নগদ আর্থিক সহায়তা, এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সেবার একীভূত সুবিধা।

কী ধরনের সুফল আনতে পারে এই উদ্যোগ:

ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগের সবচেয়ে বড় সুফল হলো সঠিক উপকারভোগী শনাক্তকরণ। ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহারের ফলে কোন পরিবার প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র বা সহায়তার প্রয়োজন-তা নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভর্তুকি বা সরকারি সহায়তা বিতরণে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, ভুল তালিকা বা অযোগ্য ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তির মতো সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

এ উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি। ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগী বা স্থানীয় পর্যায়ের অনিয়মের সুযোগ কমে যাবে, কারণ সরকার সরাসরি উপকারভোগীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে পারবে, ফলে এতে সরকারি সম্পদের অপচয় কমবে।

ফ্যামিলি কার্ড খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে ভর্তুকি পাওয়ার ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের মাসিক ব্যয় কমবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সময়ে এই সহায়তা দরিদ্র পরিবারের জন্য বড় ধরনের সুরক্ষা হিসেবে কাজ করবে।

এই উদ্যোগের আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো নারীর ক্ষমতায়ন। অনেক ক্ষেত্রে ফ্যামিলি কার্ড নারীর নামে ইস্যু করা হচ্ছে, যা পরিবারে নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াবে। অর্থনৈতিক লেনদেন বা সরকারি সহায়তা গ্রহণে নারীর সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ায় সমাজে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কী কী করা যেতে পারে?

ফ্যামিলি কার্ড ভবিষ্যতে একটি একীভূত ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বর্তমানে খাদ্য সহায়তা ও নগদ ভাতা প্রদানের মধ্যেই এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকলেও, ভবিষ্যতে এই কার্ডকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য বীমা, শিক্ষা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা-এ ধরনের সব সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে একই প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হবে।

এতে উপকারভোগী শনাক্তকরণ সহজ হবে, সেবার পুনরাবৃত্তি কমবে এবং সরকারি ব্যয় আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহৃত হবে। এ উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা হলো জাতীয় ডেটাবেজ শক্তিশালীকরণ। পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ করার মাধ্যমে সরকার দেশের দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য-এসব বিষয়ে আরও নির্ভুল তথ্য পাবে, যা নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফ্যামিলি কার্ড ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণেও নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে দ্রুত, নিরাপদ ও স্বচ্ছ উপায়ে উপকারভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া যাবে। এতে ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আসবে, পাশাপাশি সরকারি সহায়তা বিতরণে সময় ও খরচ কমবে।

সবশেষে, ফ্যামিলি কার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা বা মহামারির মতো পরিস্থিতিতে কোনো এলাকায় কত পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা দ্রুত শনাক্ত করে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও ত্রাণ বিতরণে এই কার্ড একটি নির্ভরযোগ্য ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা সহায়তা প্রদানের গতি ও দক্ষতা উভয়ই বাড়াবে।

যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি:

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক ডেটা সংগ্রহ ও নিয়মিত হালনাগাদকরণ। যদি উপকারভোগীদের তথ্য ভুল বা পুরোনো হয়, তবে পুরো কর্মসূচির কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে। পরিবারের আয়, সদস্যসংখ্যা বা কর্মসংস্থানের পরিবর্তন নিয়মিতভাবে আপডেট না হলে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার বাদ পড়ে যেতে পারে, আবার অযোগ্য পরিবার তালিকায় ঢুকে যেতে পারে। তাই ডেটা ব্যবস্থাপনায় নির্ভুলতা ও ধারাবাহিকতা অত্যন্ত জরুরি।

এ উদ্যোগের আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশের ডিজিটাল বৈষম্য। অনেক পরিবার এখনো স্মার্টফোন, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল সেবা ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল, চরাঞ্চল বা পাহাড়ি এলাকার মানুষ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় পিছিয়ে থাকায় তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে। ফলে ডিজিটাল সুবিধা না থাকা পরিবারগুলো সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ফ্যামিলি কার্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ ও ব্যবহারবান্ধব রাখা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি নিবন্ধন বা যাচাই প্রক্রিয়া অতিরিক্ত জটিল হয়, তবে প্রকৃত উপকারভোগীরা পিছিয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক, অশিক্ষিত বা প্রযুক্তি-অভিজ্ঞতাহীন মানুষের জন্য সহজ ও সরল প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি।

সবশেষে, এই কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক টেকসই নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, নগদ সহায়তা বা অন্যান্য সুবিধা দিতে হলে নিয়মিত বাজেট বরাদ্দ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। অর্থনৈতিক চাপ বা বাজেট সংকটের কারণে কর্মসূচি ব্যাহত হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী অর্থায়ন কাঠামো তৈরি করা জরুরি।

সর্বোপরি ফ্যামিলি কার্ড একটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী উদ্যোগ। এটি বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার সম্ভাবনা রাখে। তবে সফলতার জন্য প্রয়োজন-সঠিক তথ্যভিত্তিক উপকারভোগী নির্বাচন, স্বচ্ছ বাস্তবায়ন, নিয়মিত মনিটরিং, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা।

যদি এসব দিক সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, তবে ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে, যেখানে উন্নয়ন হবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর।

ঝুলন ধর : ডক্টরাল রিসার্চ ফেলো, কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা ও সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়