শহীদ মিনারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের শ্রদ্ধা
প্রকাশিত:
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৫৫
আপডেট:
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫২
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। জাতির আত্মপরিচয়, ভাষার মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে ভাষা আন্দোলনের অমর অবদান স্মরণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের নেতৃত্বে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং তাদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় হিসেবে অভিহিত করেন। এ সময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একুশের প্রথম প্রহরে তিনি তার শৈশবস্মৃতি-জড়িত নিজ এলাকা মোল্লারহাট উপজেলায় নাশুখালী সোসাল ওয়েলফেয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব ও আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। তাদের আত্মত্যাগ চিরকাল জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে আমরা এক গর্বিত জাতি। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে জীবনদানের অনন্য দৃষ্টান্ত বিশ্বে বিরল। একুশের চেতনায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্মমর্যাদা রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়, যা পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করে। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছিল, তা বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে চির অম্লান হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা কেবল আবেগের বিষয় নয়; এটি দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের প্রতীক। রাষ্ট্রীয় সেবায় নিয়োজিত প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর উচিত ভাষা আন্দোলনের আদর্শ ধারণ করে সততা, দক্ষতা ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনসেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: