আজ ‘টেডি ডে’
প্রকাশিত:
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৬
আপডেট:
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৫
ফেব্রুয়ারির বাতাসে এখন ভেসে বেড়াচ্ছে ভালোবাসার গন্ধ। ভ্যালেন্টাইনস উইকের আজ চতুর্থ দিন। গোলাপের পাপড়ি, মনের কথা প্রকাশ আর চকোলেটের মিষ্টি স্বাদ পেরিয়ে এবার পালা একটুখানি উষ্ণতার। আজ ১০ ফেব্রুয়ারি, ‘টেডি ডে’। জানেন কি, একটুখানি মায়া আর নির্ভেজাল ভালোবাসার বার্তা দিতে একটি টেডি বিয়ার হতে পারে অমূল্য কিছু।
ভালোবাসা প্রকাশে কেন টেডি বিয়ার?
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, টেডি বিয়ার শুধু একটি খেলনা কিংবা জড়বস্তুই নয়; এটি স্বস্তি ও নিরাপত্তার প্রতীক। ছোটবেলা থেকেই মানুষ নরম কিছুর স্পর্শে শান্তি খুঁজে পায়। বড় হওয়ার পরও সেই অনুভূতি হারিয়ে যায় না। প্রেমিকের দেওয়া টেডি বিয়ারটি প্রেমিকার কাছে শুধু একটি পুতুল নয়, বরং পরম নির্ভরতার প্রতীক। মন খারাপের দিনে যাকে জড়িয়ে ধরা যায়, যার কাছে কোনো জড়তা ছাড়াই অভিমান করা যায়। যখন প্রিয় মানুষটি হাজার মাইল দূরে থাকে, তখন এই নরম পুতুলটিই যেন তার অস্তিত্বের জানান দেয়।
টেডির রঙের ভিন্নতা, ভাষার ভিন্নতা
বাজারে এখন নানা রঙের টেডি বিয়ারের সমাহার। আর এই রঙেরও রয়েছে আলাদা ভাষা। ভালোবাসার গভীরতা বোঝাতে লাল রঙের টেডি বিয়ারের জুড়ি নেই।
আবার গোলাপি রঙের টেডি বন্ধুত্বের কোমলতা আর স্নেহের বার্তা বহন করে। যদি কেউ নীল রঙের টেডি উপহার দেন, তবে বুঝে নেবেন, সেই ভালোবাসার গভীরতা সাগরের মতোই বিশাল। আর সাদা? সে তো পবিত্রতা আর শান্তির বার্তা নিয়ে আসে। আবার কেউ কেউ অভিমান ভাঙাতে প্রিয়জনকে কমলা রঙের টেডি উপহার দিয়ে থাকেন।
তবে ‘টেডি ডে’ কি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য সংরক্ষিত? একদমই নয়। বাবার দেওয়া ছোট্ট টেডি বিয়ারটি মেয়ের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সম্পদ হতে পারে। আবার অফিসের ডেস্ক বা পড়ার টেবিলে রাখা ছোট্ট একটি টেডি একঘেয়েমি কাটাতে সাহায্য করে। খুব কাছের বন্ধুকে এই দিনে উপহার দিয়ে বলা যায়, ‘বন্ধু, আমি তোর পাশেই আছি।’
দিনশেষে, দামি হীরা বা সোনা নয়, একটি তুলতুলে পুতুল অনেক সময় যে নির্মল আনন্দ দিতে পারে, তা অমূল্য। তাই আজকের দিনে কোনো দ্বিধা না করে প্রিয়জনের হাতে তুলে দিন একটি টেডি; সঙ্গে ছোট্ট একটি চিরকুট- ‘ভালোবাসি’।
সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: