মঙ্গলবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০শে মাঘ ১৪৩২


শেখ রাসেল ছিলেন প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক: শিক্ষামন্ত্রী


প্রকাশিত:
৩১ অক্টোবর ২০২১ ১৭:০৮

আপডেট:
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:১৩

ছবি-সংগৃহীত

‘৭৫ পরবর্তী সময়ে শেখ রাসেল অন্যায়ের প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তিনি সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করেসেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ঘাতকরা জানতো শুধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেই তারা বাংলাকে পাকিস্তান বানাতে পারবে না। শেখ মুজিবের বংশধর কেউ জীবিত থাকলে তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না। তাই তারা শিশু শেখ রাসেলকেও সেদিন হত্যা করে। কিন্তু সেদিন দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা।’

রোববার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘শেখ রাসেল মডেল স্কুল’ উদ্বোধনকালে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আমরা পৃথিবীতে বহু রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড দেখেছি, সেখানে শুধু যে রাজনৈতিক ব্যক্তিটি থাকেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য অথবা রাজনৈতিক বিভিন্ন ফায়দা নেওয়ার জন্য হয়তো তাকে হত্যা করা হয়। অন্য কোথাও একজন মানুষকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তার পুরো পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এমন ঘটনা ইতিহাসে বিরল। বঙ্গবন্ধু যখন তার স্বপ্নের বাংলাদেশ, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে এগিয়ে নিতে শুরু করলো, ঠিক সেই সময়ে একাত্তরের অপশক্তি তাদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের দোসরদের নিয়ে নৃশংসভাবে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে।’

তিন আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিবারকে কেন সেদিন হত্যা করলো? কারণ যারা হত্যাকারী ছিল, তারা পুরো বাংলাদেশকেই বদলে দিতে চেয়েছিল। শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নয়, ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্যই নয়, তারা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য সবকিছু পাল্টে ফেলবার জন্য এই অপচেষ্টা চালিয়েছে। কারণ তারা ভিনদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিল। তারা ছিল একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:




রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক : লিটন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top