বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ই মাঘ ১৪৩২


তারেক রহমানের মধ্যেই মানুষ নতুন আশার আলো দেখছে : মির্জা ফখরুল


প্রকাশিত:
২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮:১৫

আপডেট:
২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:০৯

ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান, আমাদের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে। যেখানে যাচ্ছে সেখানে শুধু লোক আর লোক।

গতকাল ময়মনসিংহ গিয়েছিল লক্ষ লক্ষ লোক হয়েছে সমাবেশে। কেন যাচ্ছে? কারণ মানুষগুলো তার মধ্যে একটা আশা খুঁজে পাচ্ছে। তার মধ্যে নতুন নেতা দেখতে পাচ্ছে। যে নেতা তাদেরকে ভালো কিছু দেওয়ার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, তিনি মা-বোনদেরকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছেন, যদি একটা ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে সস্তায় নিত্যপূর্ণ জিনিস ক্রয় করতে পারবে। চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সবকিছুই করতে পারবে। কৃষকদেরকেও কার্ড দেওয়া হবে। যার ফলে সে তার সার-বীজ সবকিছুই ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করতে পারবে। আমরা বাচ্চাদেরকে ভালো লেখাপড়ার জন্য ভালো স্কুলের ব্যবস্থা করব। হাসপাতালে যেন মানুষ ভালো চিকিৎসা পায় সে ব্যবস্থা করব। সস্তায় ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করব।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মলানী বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হলো দেশে একটা শান্তি আনার চেষ্টা করব। যারা ভালো কাজ করতে চায় তাদেরকে তো বিজয়ী করবেন। আমি পুরনো লোক। আমি কি চুরি-চামারি করেছি? আজকাল প্রায় দেখা যায় সুযোগ পাইলেই শুধু চুরি করে। আমি আপনাদের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করছি। সেই ৯১ সাল থেকে। অন্তত আমি আপনাদের কাছে জোর করে বলতে পারি কারো কাজ করার সুবাদে আপনাদের কারো কাছ থেকে আমি এক টাকা নেয়নি, চাও খায়নি।

তিনি বলেন, রাজনীতি করে কি বাড়িঘর বানাইছি? উল্টা আমার বাবার সম্পত্তি বিক্রি করেছি। সব বিক্রি করেছি। এমনকি আমি আমার ঠাকুরগাঁও শহরের বসতবাড়ির অর্ধেকটা বিক্রি করে দিয়েছে। এই করেই আমরা রাজনীতি করি। আমি একটা কথা বলতে চাই, এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আমার শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বয়সও বাড়ছে। আমার নিজেরই মনে হচ্ছে আমি মনে হয় আর পাঁচ বছর পরে ইলেকশন করতে পারব না। আমার শেষ অনুরোধ এবার আপনার একটু আমাকে সমর্থন দেবেন। তাহলে আপনাদের জন্য একটু আমি কাজ করার সুযোগ পাব।

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, এবার নৌকা নাই কিন্তু আরেকটা মার্কা আছে, দাঁড়িপাল্লা। দাঁড়িপাল্লা কি আপনারা চিনেন? বা দেখেছেন? কেউ দেখেনি। আমি আপনাদের পরিচিত, কখনো আপনাদের ছেড়ে যায়নি। তাই আমাকে এবার একটু সমর্থন দিন আর বাকি কাজগুলো করার সুযোগ দিন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে আমরা ভোট দিতে পারিনি। এবার মানুষ ভোট দিতে চায়। আমরা ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছি, মিথ্যা মামলায় হয়রানি হয়েছি, এমনকি প্রিজাইডিং অফিসার হত্যার মতো মামলার ভোগান্তিও সহ্য করেছি।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছি। আর ধানখেতে রাত কাটাতে হচ্ছে না, মিথ্যা মামলার আতঙ্কও অনেকটা কমেছে।


সম্পর্কিত বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:




রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক : লিটন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top