বুধবার, ৪ঠা মার্চ ২০২৬, ২০শে ফাল্গুন ১৪৩২


নফল নামাজ শুরু করে ভেঙে ফেললে করণীয়

প্রকাশিত:১৭ জুলাই ২০২৫, ০৬:০৪

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

প্রত্যেকের জন্য নফল ইবাদত করা জরুরি। কারণ,কেয়ামতের দিন যখন মানুষের ফরজ ইবাদতে কোনও ঘাটতি দেখা দিবে আল্লাহ তায়ালা এসময় বান্দার নফল ইবাদত আছে কিনা তার খোঁজ নেবেন।

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় কেয়ামতের দিন বান্দার যে কাজের হিসাব সর্বপ্রথম নেওয়া হবে তা হচ্ছে নামাজ। সুতরাং যদি তা সঠিক হয়, তাহলে সে পরিত্রাণ পাবে। আর যদি (নামাজ) খারাপ হয়, তাহলে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদি তার ফরজের (ইবাদতের) মধ্যে কিছু কম পড়ে যায়, তাহলে আল্লাহ তায়ালা বলবেন, ‘দেখ তো! আমার বান্দার কিছু নফল (ইবাদত) আছে কি না, যা দিয়ে ফরজের ঘাটতি পূরণ করে দেওয়া হবে?’ অতঃপর তার অবশিষ্ট সমস্ত আমলের হিসাব ঐভাবে গৃহীত হবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৮৬৪, তিরমিজি, হাদিস : ৪১৩, ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৪২৫)

নামাজের নিষিদ্ধ সময়গুলো ছাড়া দিন-রাতে যেকোনও সময় নফল নামাজ পড়া যায়। আর নফল নামাজ শুরু করার পর কোনো কারণে আদায় না হলে বা ভেঙে ফেললে পুনরায় তার কাজা করা ওয়াজিব।

নফল নামাজে কেরাত পড়ার ক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো-

দিনের নফল নামাজে নিম্নস্বরে কেরাত পড়া ওয়াজিব। এজন্য ভুলে দিনের নফল নামাজে জোরে কেরাত পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়। আর ইচ্ছাকৃত উচ্চস্বরে কেরাত পড়লে ওয়াজিব তরকের গুনাহ হবে। এর বিপরীতে রাতের নফল নামাজে উচ্চস্বরে ও নিম্নস্বরে দু’ভাবেই কেরাত পড়া যায়।

এসএন /সীমা

সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়