ইংরেজি নতুন বছর উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আতশবাজি, লন্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে আহ্বান জানান অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সরকারের কোনো আহ্বান তোয়াক্কা করেননি রাজধানীবাসী। রাতে ১২টা ১ মিনিটে বাসা বাড়ির ছাদে আতশবাজি ও ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করে নেন নগরবাসী।
এদিকে, নতুন বছরের শুরুতে সোশ্যাল মিডিয়া এক স্টোরিতে মেগাস্টার শাকিব খান আতশবাজির ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে ভক্ত ও সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আতশবাজির শব্দ সবার জন্য আনন্দের নয়। এই বিকট শব্দে ভীত হয় শিশু, অসুস্থ মানুষ ও নিরীহ প্রাণীরা। শব্দ নয়, আসুন আমরা ভালোবাসা ছড়াই।’
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে রাষ্ট্রীয় শোক এবং নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই উৎসব পালন রাতের ঘুমন্ত পাখিদের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মধ্যরাতে বিকট শব্দে দিশেহারা পাখিরা দিগন্তে উড়তে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাখিদের শ্রবণশক্তি মানুষের চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল। এই বিকট শব্দ তাদের স্নায়ুতন্ত্রে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে। নগরীর পার্ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চত্বর ও আবাসিক এলাকার বড় গাছগুলোতে বসবাস করা পাখিরা এই সময় হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দিশেহারা হয়ে উড়তে গিয়ে বাসা হারায় তারা, নষ্ট হয় পাখির ডিম, এমনকি শারীরিকভাবে গুরুতর ক্ষতির শিকার হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।