রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ই ফাল্গুন ১৪৩২


৩২ দিন পর কারাবন্দি জীবন থেকে মুক্তি পেলেন রোনালদিনহো

প্রকাশিত:৮ এপ্রিল ২০২০, ১০:৪৯

কারাগার থেকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রোনালদিনহো ও তার ভাইকে

কারাগার থেকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রোনালদিনহো ও তার ভাইকে

১.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুচলেকা দিয়ে ৩২ দিন পর কারাবন্দি জীবন থেকে মুক্তি পেলেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদিনহো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। তবে এখনই পুরোপুরি মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। আপাতত 'হাউজ অ্যারেস্ট' অবস্থায় একটি হোটেলে থাকতে হবে তাকে।

ভুয়া পাসপোর্ট নিয়ে প্যারাগুয়েতে প্রবেশ করেছিলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী এ ফরোয়ার্ড। সঙ্গে ছিলেন ভাই রবার্তো অ্যাসিস। এই অপরাধে এক মাসের মতো জেল খেটেছেন। সেই জেল জীবন থেকে অবশেষে নিস্তার মিলেছে দুই ভাইয়ের, তবে পুরোপুরি নয়। পুলিশি প্রহরায় এখন থাকবেন গৃহবন্দি। তবু কপাল ভালোই বলতে হয় তার। এসব প্রতারণার মামলায় খুব সহজে বেইল দিতে চায় না ওসব দেশের আদালত। সেখানে ছয় মাসের শাস্তি পেলেও, ৩২ দিনের মধ্যেই বের হতে পারলেন তিনি।

গত মাসের ৬ তারিখ নিজের ভাই রবার্তোকে সঙ্গে নিয়ে প্যারাগুয়ে যাওয়ার সময়ে জাল পাসপোর্টসমেত বিমানবন্দরে ধরা পড়েন রোনালদিনহো। শুরু থেকেই তিনি বলে আসছেন, এই জাল পাসপোর্তের ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই। কারণ সবকিছুর ব্যবস্থা করেছে তাকে আমন্ত্রণ জানানো প্রতিষ্ঠান।

ব্রাজিলিয়ানদের প্যারাগুয়েতে প্রবেশের জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না। কেন রোনালদিনহো ও তার ভাই পাসপোর্ট নিয়ে দেশটিতে গেলেন এর উত্তর মিলেছে অবশেষে। যে প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে প্যারাগুয়েতে গিয়েছিলেন তারাই রোনালদিনহো ও তার ভাইকে উপহার হিসেবে সে দেশের পাসপোর্ট দিয়েছিলেন। অনেক কাগজ পত্রের মধ্যে প্যারাগুয়ের পাসপোর্টও যে তাদের সঙ্গে ছিল সেটা জানতেন না রোনালদিনহো। প্যারাগুয়ের আদালতে এটা প্রমাণ করতে পেরেছেন রোনালদিনহোর আইনজীবী।

প্যারাগুয়ের একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হয়েছিলেন বিশ্বকাপজয়ী এ তারকা। সেই খাতিরে অনেকটা লুকিয়ে জাল পাসপোর্ট বানিয়ে প্যারাগুয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। প্যারাগুয়ের যে হোটেলে রোনালদিনহো উঠেছিলেন, সেখানে অভিযান চালান দেশটির তদন্ত কর্মকর্তারা। তাতেই পাওয়া যায় জাল পাসপোর্ট।

রোনালদিনহোকে নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ফুটবল ছাড়ার পর এর আগে নিজ দেশ ব্রাজিলের লেক গুয়াইবায় অনুমতি ছাড়া চিনির কল বসানোয় শাস্তির কবলে পড়েছিলেন। এমন অপরাধে তাকে ২৩ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়; কিন্তু তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে মিলেছে মাত্র ৬ ডলার ৫৯ সেন্ট। আর জরিমানা পরিশোধ করতে না পারায় ব্রাজিলিয়ান কর্তৃপক্ষ তার পাসপোর্ট জব্দ করেছিল।

সম্পর্কিত বিষয়:

আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)
আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়