মঙ্গলবার, ২৮শে এপ্রিল ২০২৬, ১৫ই বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি- সংগৃহীত
রোমহীন, মসৃণ, কোমল ত্বক কার না পছন্দ? এজন্য অনেকেই ওয়াক্সিং করান। কেউবা সাহায্য নেন রেজরের। এতে কি ত্বক আদৌ মসৃণ হয়? না কি বাড়ে সমস্যা?
ত্বকে রোম থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু স্পর্শকাতর ত্বকের ওপর যখন গরম মোম দেন, চামড়া ধরে টানেন তখন ত্বকের ওপরও টান পড়ে। এতে নষ্ট হয়ে যায় ত্বকের ইলাস্টিটি। আরও নষ্ট হয় ত্বকে থাকা কোলাজেন। সঙ্গে যুক্ত হয় সংক্রমণ।
ওয়াক্সিং করালে ত্বকে কী কী সমস্যা হতে পারে?
যত ভালো মানের মোমই ব্যবহার করুন না কেন তা তাপে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে উঠে। চাপ দিয়ে ঘন ঘন ওয়াক্সিং করালে ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে যায়। তখন ত্বকে র্যাশ, লালচে ভাব, জ্বালা ভাব দেখা দেয়। অনেক সময় ব্রণ-ফুসকুড়িও হয়। ত্বকে চাকা চাকা দাগ দেখা দেয়।
এমনকী ওয়াক্সিং করালে ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে ওঠে। তার সঙ্গে ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
রেজর ব্যবহার করলে কী সমস্যা হয়?
রেজর ব্যবহার করলেও ত্বকে র্যাশ বের হয়। ওয়াক্সিং করালে ত্বকের হাল বাজে হয়ে যায়। তাই ওয়াক্সিংয়ের বদলে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের রোম তুলুন।
প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে ত্বক থেকে রোম তুলবেন?
ত্বক থেকে রোম তুলতে সাহায্য করে হলুদ। কিন্তু শুধু হলুদ মেখে ত্বকের রোম পরিষ্কার করা যায় না। এর সঙ্গে লাগবে ময়দা, মধু ও দুধ। এসব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকের ওপর লাগিয়ে নিন। প্যাকটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
এবার রোমের অভিমুখ যে দিকে, সেই দিকে হাত দিয়ে প্যাকটি রগড়াতে থাকুন। দেখবেন, ময়লার সঙ্গে রোম উঠে আসবে। তারপরে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
কত দিন অন্তর এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারবেন?
এই ফেসপ্যাকের মধ্যে কোনোরকম ক্ষতিকর উপাদান নেই। তাই যখন ইচ্ছে এই ফেসপ্যাকটি মুখে মাখতে পারেন। তবে ত্বক থেকে রোম তুলতে সপ্তাহে একদিন করে এই প্যাকটি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। হলুদের ফেসপ্যাক নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকে রোমের আধিক্য ধীরে ধীরে কমে যাবে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)