রবিবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৫, ১৫ই ভাদ্র ১৪৩২

Shomoy News

Sopno


১০৩তম বিজয় উদযাপন করছে তুরস্ক, আতাতুর্কের সমাধিস্থলে এরদোয়ানের শ্রদ্ধা


প্রকাশিত:
৩০ আগস্ট ২০২৫ ১৮:১৯

আপডেট:
৩১ আগস্ট ২০২৫ ০৩:৫৮

ছবি সংগৃহীত

১৯২২ সালে আক্রমণকারী গ্রীক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভের পর তুরস্ক তাদের ১০৩তম বিজয় দিবস উদযাপন করছে। মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্কের কুতাহিয়ার দুমলুপিনার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

২৬ আগস্ট শুরু হওয়া সামরিক অভিযান ৩০ আগস্ট বিজয় এনে দেয়। এই বিজয়ের মাধ্যমে গ্রীক দখলদারিত্ব শেষ হয় এবং তুরস্কের স্বাধীনতা সুসংহত হয়।

এ দিন এরদোয়ান ঊর্ধ্বতন রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আতাতুর্কের সমাধিস্থল অনিতকবির পরিদর্শন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিজয় দিবসের ভাষণে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এই দিনটিকে 'স্বাধীনতা, স্থিতিস্থাপকতা এবং চিরন্তন স্বাধীনতার প্রতি তুর্কি জাতির দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এরদোগান বলেন, 'একটি জাতি হিসেবে, আমরা আবারও ৩০ আগস্ট বিজয় দিবসের গর্ব এবং উৎসাহ অনুভব করার আনন্দ উপভোগ করছি, যা আমাদের ইতিহাসের অন্যতম মাইলফলক এবং সোনালী পৃষ্ঠা। এই গৌরবময় দিনটি স্বাধীনতা এবং ভবিষ্যতের জন্য তুর্কি জাতির অভূতপূর্ব ইচ্ছাশক্তি, অটল বিশ্বাস এবং বীরত্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিমূর্তি।'

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর দেশপ্রেম ও জাতির দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে অর্জিত মহান বিজয় দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে দিয়েছে, প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং জাতির পুনরুজ্জীবন, অস্তিত্বের সংগ্রাম ও চিরন্তন স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এটি এতটাই মহান বিজয় যে, এটি কেবল তুর্কি জাতির জন্যই নয়, অন্যান্য নিপীড়িত জাতির জন্যও আশা জাগিয়ে তুলেছে, স্বাধীনতার আদর্শের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই বিজয়ের মাধ্যমে তুর্কি জাতি আবারও বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছে, তারা কখনো পরাধীন হতে পারে না, কখনো দাসত্ব গ্রহণ করতে পারে না, বা কখনো তাদের স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করতে পারে না।

তিনি বলেন, আজকের দায়িত্ব হলো ৩০ আগস্ট প্রজ্জ্বলিত স্বাধীনতার মশালকে ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাওয়া। তুর্কির শতাব্দীতে, সর্বাগ্রে কর্তব্য হলো পূর্বপুরুষদের ত্যাগের মাধ্যমে অর্পিত মাতৃভূমিকে আরও শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করে তোলা।

প্রসঙ্গত, গ্রীকদের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ের পর ১৯২২ সালের শেষ নাগাদ সমস্ত বিদেশি বাহিনীকে তুর্কি অঞ্চলগুলো থেকে বিতাড়িত করা হয়। এর এক বছর পর সম্মিলিতভাবে অঞ্চলগুলো নিয়ে তুর্কি প্রজাতন্ত্র গঠন হয়।


সম্পর্কিত বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:




রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক : লিটন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top