মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ই ফাল্গুন ১৪৩২
ফাইল ছবি
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা হয়েছে বলে মনে করছেন দিনাজপুরের ডিসি মাহমুদুল আলম।
তিনি বলেন, “পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এটা ছিল হত্যার চেষ্টা। সিসি ক্যামেরা দেখা হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঘটনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”
তবে কী কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
বুধবার রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ইউএনওর বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসায় ঢুকে হামলা চালানো হয়। এতে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী আহত হন।
ইউএনওর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার সংজ্ঞা থাকলেও অবস্থা এখনও অস্থিতিশীল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে রাতে মাথায় অস্ত্রোপচার করা হতে পারে বলে হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম জানান।
ইউএনওর বাবাকে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার অব্দুল ওহাব ও রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনার পর থেকে র্যাব ও পুলিশ সরকারি বাড়িটি ঘিরে রেখেছে। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছাড়া কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
কে বা কারা কেন হামলা করেছে সে বিষয়ে প্রশাসন এখনও কিছু বলতে পারেনি।
তবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলছেন, “কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা খুব দ্রুত জানা যাবে।”
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)