ঢালিউডের রাজপুত্র খ্যাত অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর জট খুলতে গত অক্টোবর মাসে পুলিশকে দায়িত্ব দেয় ঢাকার একটি আদালত। বছরের শেষ দিকে তদন্ত শেষে মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ সপ্তাহ সময় আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। প্রথম দফা সময় বাড়িয়ে ১৩ জানুয়ারি চার্জশিট জমা দেওয়ার দিন ধার্য করেন আদালত। নির্ধারিত দিনেও চার্জশিট জমা দেয়নি সিআইডি।
তদন্তের কোনো অগ্রগতি বা বিলম্বের কারণ জানানো ছাড়াই আরও সময় বাড়োনোর আবেদন করেছে সংস্থাটি।
সালমান শাহকে কেউ কখনও ভালোবেসেছিল কিনা সন্দেহ আছে: প্রসূন আজাদ
এদিকে সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুল ছাত্তার, সাজু, রেজভি আহমেদ ফরহাদের সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করেছে বাদীপক্ষ।
এর আগে সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে সালমান ভক্তরা।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তদন্তযাত্রা, যা প্রায় তিন দশক ধরে অপমৃত্যু মামলা হিসেবেই চলতে থাকে। পরবর্তীতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন বলে মত দেয়।
সালমান বেঁচে থাকলে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত: অহনা
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে সালমান শাহর। স্মার্টনেস ও ব্যক্তিত্ববোধের কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের আইকনে পরিণত হয়ে ওঠেন এ নায়ক। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবি করেন। যার অধিকাংশই সুপারহিট।
মৌসুমীর সঙ্গে জুটি বেঁধে চলচ্চিত্রে পা রাখলেও সালমানের বেশিরভাগ ছবির নায়িকা ছিলেন শাবনূর। এই জুটি তখন এমন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, তাদের কোনো ছবি মুক্তি পেলেই দর্শক প্রেক্ষাগৃহে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন।