সংবেদনশীল স্থানের বিবরণ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ব্যক্তিদের সম্পর্কে ইসরায়েলের কাছে তথ্য পাঠানোর অভিযোগে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জুন মাসে ইরানে ইসরায়েলের আক্রমণের সময় তারা মোসাদ গুপ্তচর সংস্থাকে তথ্য সরবরাহ করেছিল। সেই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় শহর মাশহাদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল।
তাদের তথ্য পাঠানোর ওই সময়ে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায় এবং শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে।
ইরান ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা, অবকাঠামো এবং শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেয়। যুক্তরাষ্ট্র ২২ জুন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধে প্রবেশ করে। এরপর ইরান কাতারে সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালালে যুদ্ধ থেমে যায়।
আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মোসাদ থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে উত্তর-পূর্ব ইরানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় রকেট লঞ্চার, বোমা, বিস্ফোরক এবং বুবি ট্র্যাপ তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়েছে।
এই মাসের শুরুতে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় পুলিশ প্রায় ২১ হাজার সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান কমপক্ষে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক বিজ্ঞানী রুজবেহ ভাদি। ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আরেক বিজ্ঞানীর সম্পর্কে তথ্য মোসাদকে দেওয়ার জন্য ৯ আগস্ট ভাদিকে ফাঁসি দেওয়া হয়।