ত্বকের যত্নে আলুর খোসা, কীভাবে ব্যবহার করবেন?
প্রকাশিত:
৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭:২২
আপডেট:
৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬:২৬
অনেকেরই প্রিয় সবজির তালিকায় আছে আলু। প্রায় সব তরকারিতেই এর উপস্থিতি চোখে পড়ে। স্ন্যাকস হোক কিংবা সবজিতে আলু ব্যবহার করা হয়। আলুর খোসা কাটার পর সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। চাইলে কিন্তু এই খোসা না ফেলে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটু স্কিন ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
আলুর খোসায় মূলত অ্যাজেলেক অ্যাসিড থাকে। এছাড়া আলুতে ক্যাটাকোলেজের মতো ব্লিচিং এজেন্ট থাকে। এই দুটি উপাদান কি সত্যিই ত্বকের জন্য উপকারী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাজেলসিক অ্যাসিড ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ক্যাটকোলেজ ট্যান ও দাগ দূর করে ত্বককে সুন্দর করে তোলে। এই খোসা মূলত স্কিন ইলাস্টিসিটি বাড়াতে কাজ করে।
এছাড়া আলুর খোসায় ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও ভিটামিন সি রয়েছে। এই দুটি উপাদানই ত্বকের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি ত্বকের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।
আলুর খোসা ব্যবহার করলে কী কী উপকার মেলে?
আলুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণাবলীর কারণে এটি ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে।
আলুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বার্ধক্যের ছাপ ও বলিরেখা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
আলুর খোসা ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।
ট্যান ও নিস্তেজ ভাব কমাতে কার্যকর আলুর খোসা।
আলুর খোসা দিয়ে ত্বকচর্চা:
প্রথমে আলুর খোসা বেটে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এটি মুখে মাখিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন মুখ।
আলুর খোসার ভেতরের অংশ চোখের নিচে ঘষুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১৫ মিনিট এটি লাগিয়ে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর আন্ডার আই ক্রিম লাগিয়ে ঘুমিয়ে যান। মাসখানেক এই রুটিন ফলো করলেই দেখবেন চোখের নিচের কালচেভাব দূর হয়ে গেছে।
চাইলে টোনার হিসেবেও আলুর খোসার রস ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে আলুর খোসা বেটে তার রস বের করে নিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখুন। একবার রস বের করে ৭ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।
সম্পর্কিত বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: