শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬, ২১শে চৈত্র ১৪৩২
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকাতে হঠাৎ করেই শিশুদের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল (রোববার) থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এ কর্মসূচি দেশব্যাপী হলেও প্রাথমিক অবস্থায় বেশি সংক্রমণের হার বিবেচনা করে ৩০টি উপজেলা থেকে শুরু করা হবে।
আজ (শনিবার) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গতকাল ইপিআই থেকে ইতোমধ্যে এ সকল উপজেলায় টিকা প্রেরণ করা হয়েছে।
ইউপিআই-এর স্টোর কিপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রাথমিক অবস্থায় ৩০টি উপজেলায় গতকাল টিকা প্রেরণ করেছি। ওই উপজেলায় ৬ মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত যতজন শিশু আছে যারা মিজেলস্-এর টিকা গ্রহন করেনি, সে তালিকা আমাদের প্রেরণ করা হয়েছে। এ তালিকা অনুযায়ীই আমরা তাদের টিকা সরবরাহ করেছি।
তিনি আরও জানান, এ বছর সব মিলিয়ে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর বয়সী ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭টি শিশুকে টিকা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
যে ৩০ উপজেলা দিয়ে শুরু হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি
রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর, ভোলাহাট, নাটোর সদর, এবং যশোর সদর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত হামের কারণে ৯ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ৭১১ জন শিশুর শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)