বৃহঃস্পতিবার, ৮ই জানুয়ারী ২০২৬, ২৪শে পৌষ ১৪৩২

Shomoy News

Sopno


জকসু নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে সাথে কমছে ভোটারের চাপ


প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫:২৭

আপডেট:
৮ জানুয়ারী ২০২৬ ০০:৪৫

ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটারের বেশ চাপ ছিলো। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের চাপও কমে এসেছে। দুপুরের দিকে পুরুষ ও নারী ভোটারদের ক্ষেত্রে একই অবস্থা দেখা গেছে। নিয়ম অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৩টায় ভোটগ্রহণ শেষ হবে।

এদিকে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হলেও মাঝে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। একজন নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে একজনকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।

এ ঘটনায় ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের প্রতিনিধিরা ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে সরাসরি ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করছেন।

তিনি বলেন, শহীদ সাজিদ ভবন কেন্দ্রে একটি বিশেষ প্যানেলকে এই সুবিধা দেওয়া হয়। শুরুতে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে প্রমাণ দেখানোর পর সব প্যানেলকে টোকেন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে শুরুতে তাদের প্যানেলকে এই সুযোগ না দিয়ে বৈষম্য করা হয়েছে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন শুরুর পর প্রথমদিকে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে শুরু করলে মেইন গেটের সামনে ছাত্রদলের কর্মীরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা পুরোপুরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। এ সময় একাধিক শিক্ষার্থী, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করা হয়।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোট দেওয়ার পর বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শনে গিয়ে ফিজিক্স বিভাগে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টদের শিক্ষার্থীদের ভোট প্রদানে প্রভাবিত করতে দেখা যায়। এমনকি নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভোটের চিরকুট কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। একই ধরনের ঘটনা অন্যান্য বিভাগেও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমাধিতে ভিপি প্রার্থী রাকিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাম্পাস ও ভোটকেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর টোকেন বা ভোটার নম্বর প্রবেশ করানোর সুযোগ থাকার কথা নয়। সেই নির্দেশনা মেনে তাদের প্যানেলের কোনো টোকেন শুরুতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করায়নি। কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার পর তারা দেখতে পান, একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন শুধু ক্যাম্পাসেই নয়, সরাসরি ভোটকেন্দ্রের ভেতরেও প্রবেশ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশন ও প্রোক্টোরিয়াল টিমকে জানানো হলেও প্রথমে তা অস্বীকার করা হয়। পরে প্রমাণ দেখালে তাদেরও টোকেন ভেতরে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই অনুমতির ভিত্তিতেই তাদের প্যানেলও টোকেন প্রবেশ করায়। এরপরও দেখা যাচ্ছে, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত শৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন ছাড়া অন্য কোনো টোকেন নিয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। এটি স্পষ্ট দ্বিচারিতা। যদি টোকেন নেওয়া নিষিদ্ধ হয়, তাহলে সবার জন্যই নিষিদ্ধ হতে হবে।’


সম্পর্কিত বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:




রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected]; [email protected]
সম্পাদক : লিটন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top